ajkerprithibi
, , ,
  1. অপরাধ
  2. অভিযান
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. চাকরি
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. দেশজুড়ে
  15. ধর্ম

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অবস্থান, এলাকায় চাঞ্চল্য

  আবু সুফিয়ান বাবু প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন কুলসুম নামে এক তরুণী। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল…

  আবু সুফিয়ান বাবু ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মর্জিনা খাতুন (২৯)…
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ শেষ। এখন সম্ভাব্য তিনটি তারিখ ঠিক…
How to Mississippi S Corporation Franchise Tax Schedule

দেশজুড়ে

আরও পড়ুন

আপনার এলাকার খবর

খুঁজুন

জাতীয়

আরও পড়ুন

খেলাধুলা

আরও পড়ুন

অর্থনীতি

আরও পড়ুন

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিদেশি ও দেশি ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে অনেক ফল। বিশেষ করে ক্যান্সার রোগী, প্রেসারের রোগী, হার্টের রোগী, ডায়াবেটিস রোগী ও ডেঙ্গু জ্বরের রোগীর জন্য এই সমস্ত ফল অতি জরুরি প্রয়োজন হয়, কিন্তু মানুষ এগুলো কিনতে পারছে না। শুক্তবার (১৬ অক্টোবর) কালিয়াকৈর বাজার, চন্দ্রা বাজার,পল্লী বিদ্যুৎ বাজার, মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, কালামপুর বাজার, বোয়ালী বাজার, শ্রীফলতলী, আটাবহ, ফুলবাড়িয়া ও লতিফপুর বাজার সরেজমিনে ঘুরে ফলের দামে উর্ধ্বগতির এই ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। বর্তমানে বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি বিদেশি কমলা ৫৫০ টাকা, বিদেশি মাল্টা ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, আপেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, আঙুর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, বেদানা বা আনার ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পাকা পেঁপে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ড্রাগন ফল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি মাল্টা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাটিমন আম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং তরমুজ ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস ডাব বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়। সফিপুর বাজারের ফল ব্যবসায়ী আজাদ মিয়া বলেন, ভাই, এ বছর ফলের দাম বেশি। মোকামেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ঢাকার বাদামতলী, কারওয়ান বাজারে বেশি দামে কিনি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। দাম কম থাকলে বেচাকেনা ভালো হয়, লাভও ভালো হয়। এত বেশি দামে ফল কিনে বিক্রি না হলে পচে যায়। ফলে অনেক সময় লোকসানে পড়তে হয়। মৌচাক বাজারের তারেক ব্যবসায়ী বলেন, আগে দিনে ২ মণ আপেল-কমলা বিক্রি করতাম, এখন ২০ কেজিও বিক্রি হয় না। মানুষ দাম শুনে চলে যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এবার মোকামেই ফলের দাম বেশি। ডলারের দাম বেশি, আমদানি খরচ বেশি, পরিবহন খরচ বেশি। তার ওপর ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যবসায় মন্দা। ফলে বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কালামপুরের গৃহিণী আইরিন আক্তার (৪০) কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার স্বামী মরন ব্যধি ক্যান্সারের রোগী অনেক দিন ধরে ভোগছেন। ডাক্তার বলেছে প্রতিদিন আপেল, মাল্টা, বেদানা, আঙুর খাওয়াতে। বাজারে এসে দেখি আপেল ৪০০ টাকা, বেদানা ৫০০ টাকা। আমার স্বামী গার্মেন্টসে কাজ করতো, এখন বেকার। ১২ হাজার টাকায় সংসার চলে না। আমি কেমনে এই ফল কিনমু? আমার স্বামী কি তাহলে ফল না খেয়ে মারা যাবে? মৌচাকের অটো চালক আইনাল মিয়া(৪৫) বলেন, আমার মায়ের হার্টের রোগ, প্রেসার বেশি। ডাক্তার বলেছে ডাবের পানি খাওয়াতে, পেঁপে, পেয়ারা খাওয়াতে। ডাব ১৫০ টাকা পিস! আগে ৪০ টাকায় ডাব কিনতাম। এখন ৪০০ টাকা ইনকামে কেমনে ১৫০ টাকা দিয়া ডাব কিনমু? মা’রে কি বিনা চিকিৎসায় মারমু? সফিপুরের গার্মেন্টস শ্রমিক জমেলা বেগম (৩৮) বলেন, আমার ছেলের ডেঙ্গু হয়েছে। ডাক্তার বলেছে বেশি বেশি মাল্টা, কমলার জুস, ডাবের পানি খাওয়াতে। বাজারে মাল্টা ৫০০ টাকা কেজি। আমার বেতন ১২ হাজার ৫ শত টাকা, ওভারটাইম নাই। আমি কেমনে কিনমু? আমার বুক ফাইটা যায়। বোয়ালীর ক্যান্সার রোগীর বাবা আব্দুল জলিল(৬০) বলেন, আমার মেয়ের ক্যান্সার। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা চলছে। ডাক্তার বলেছে প্রতিদিন আপেল, আঙুর, বেদানা লাগবে। কিন্তু ৫৫০ টাকা কমলা, ৪৫০ টাকা আঙুর – আমার মতো দিনমজুর কেমনে কিনবে? মেয়েটা ফলের দিকে তাকিয়ে থাকে, আমি কিনে দিতে পারি না। আমি বাবা হয়ে এটা সহ্য করতে পারি না। শ্রীফলতলীর আফরিন আক্তার (৩৫) বলেন, আমার বাচ্চার ডেঙ্গু, প্লাটিলেট কমে গেছে। ডাক্তার বলেছে ডাব, পেঁপে, মাল্টা খাওয়াতে। ডাব ১৫০ টাকা! ৩টা ডাব কিনলে ৪৫০ টাকা। আমার স্বামী অসুস্থ, আমি বাসায় কাজ করি। এত টাকা কই পামু? এলাকাবাসীর আকুতি, ক্যান্সার, হার্ট, প্রেসার, ডায়াবেটিস ও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ফলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা হোক। কালিয়াকৈরের হাট-বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হোক। হতদরিদ্র রোগীদের জন্য বিশেষ ভর্তুকিতে ফল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। না হলে ফলের অভাবে অনেক রোগী বিনা পথ্যে মারা যাবে।

ট্যুরিজম

আরও পড়ুন

বিনোদন

আরও পড়ুন

Website Design & Development by BD IT HOST ↗